দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাদক কারবার ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা ও সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর হয়। কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন।
মিয়ানমারের নৌসীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক চোরাচালান বন্ধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক বলেন, মাদক বাংলাদেশের জন্য বড় সমস্যা। মাদকের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহও হচ্ছে। গত দুই বছরে কোস্ট গার্ড প্রায় দেড় কোটি ইয়াবা জব্দ করেছে। এ সময় বিপুলসংখ্যক মাদক কারবারিকেও আটক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি শক্তিশালী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে, যাতে তারা এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’ উল্লেখ করে রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেন, মাদক কারবার ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। যাদের আটক করা হচ্ছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে গডফাদারদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, সব মন্ত্রণালয় ও জনগণেরও দায়িত্ব রয়েছে। মাদকের ব্যবহার সামাজিক ও পারিবারিকভাবে গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা না করলে চাহিদা থাকায় সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হবে।
কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ড অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গত কয়েক বছরে বিপুলসংখ্যক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুযায়ী কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ সময় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএম/